banner

শেষ আপডেট ২২ মে ২০১৯,  ১০:৩০  ||   বুধবার, ২২ই মে ২০১৯ ইং, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের চাল নিয়ে চালবাজী

খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের চাল নিয়ে চালবাজী

৯ জানুয়ারী ২০১৯ | ২১:৩৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের চাল নিয়ে চালবাজী

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ গত প্রায় এক বছর দেশে বন্যা কিংবা খরা ছিল না, কৃষক ঘরে নতুন ধান তুলেছেন খুব বেশিদিন হয়নি, তাই এসময় চালের বাজার অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই। তারপরও হঠাৎ অস্থির হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের চালের বাজার। ধানের পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও হঠাৎ বেড়ে গেছে চালের দাম। চালের পাইকারি বাজারে সব ধরনের চালের বস্তায় (৫০ কেজি) ১০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, একশ্রেণীর মিলমালিক কৃষকের কাছ থেকে কম দামে ধান কিনে মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে। বৃদ্ধি করছে চালের দাম। মিলমালিকদের সিন্ডিকেট ভাঙতে না পারলে দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা করছেন আড়তদাররা।

 নগরীর বৃহত্তম পাইকারি চালের আড়ত চাক্তাইয়ের চালপট্টি ও পাহাড়তলীতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে বাজারে নাজিরশাইল, জিরাশাইল (সিদ্ধ), মিনিকেট (সিদ্ধ), বাসমতি (সিদ্ধ), স্বর্ণা (সিদ্ধ), বেতি, পাইজাম (আতপ), মিনিকেট (আতপ), কাটারীভোগ আতপ, মোটা সিদ্ধ ও চিনিগুড়া চাল মানভেদে বস্তাপ্রতি ১০০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

পাইকারী বাজারে দাম বৃদ্ধির প্রভাবে খুচরা বাজারেও বেড়েছে চালের দাম।

কাজীর দেউরি বাজারের খুচরা বিক্রেতা মিজানুর রহমান জানান, পাইকারীতে দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে চালের দাম কেজিতে ৩-৪ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

পাইকারী বাজারে দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে পাহাড়তলী বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এস এম নিজাম উদ্দিন বলেন, মিলমালিকরা হঠাৎ চাল সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছেন, যদিও সরবরাহ কমে যাওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। মিলমালিকরা ধানের দাম বৃদ্ধির অজুহাত দেখিয়ে চালের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে। যে হারে চালের দাম বেড়েছে, সেই অনুপাতে কিন্তু ধানের দাম বাড়েনি। কারণ, কৃষকের ঘরে নতুন ধান উঠেছে খুব বেশি দিন হয়নি।

চাক্তাই চালপট্টির ব্যবসায়ী এম সরোয়ার চৌধুরী বলেন, আমাদের ধারণা, গত ২০১৭ সালের মতো মিল মালিকরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করেই চালের দাম বাড়িয়ে যাচ্ছেন।

পাহাড়তলী চালের বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, এখন চালের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। যদি কোনো কারণ থাকে, তা হলো সিন্ডিকেট।