banner

শেষ আপডেট ১২ ডিসেম্বর ২০১৮,  ২০:০৯  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে শিশুদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে–মেয়র

রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে শিশুদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে–মেয়র

৬ ডিসেম্বর ২০১৮ | ২১:১৫ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে শিশুদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে–মেয়র

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন বলেছেন, শিশুর জন্য মায়ের দুধের কোনো বিকল্প নেই। শিশু জম্মের পর প্রথম বছরে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি ঘটে । এই দ্রুত বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত অত্যাবশ্যকীয় পুষ্ঠি উপাদানে নিয়মিত সরবরাহ প্রয়োজন। যা মায়ের দুধে বিদ্যামান থাকে।এতে রয়েছে প্রাকৃতিক এ্যান্টিবায়োটিক,যা শিশুর ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। যে সকল শিশুরা মায়ের দুধ খাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়,তারা শারীরিকভাবে দুর্বল হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। তাই শিশুর দৈহিক ও মানসিক বর্ধন এবং মেধার বিকাশের জন্য প্রতিটি শিশুকে কমপক্ষে ছয়মাস মায়ের দুধ খাওয়ানোর পরামর্শ দিলেন মেয়র । তিনি আজ বৃহস্পতিবার সকালে মমতা প্রকল্প কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চল কর্তৃক আয়োজিত শিশুর প্রাক-শৈশবকালীন যত্ন ও উন্নয়ন বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
চট্টগ্রাম কারিতাস চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিচালক মি. জেমস্ গোমেজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্যে রাখেন, সংরক্ষিতওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারজানা পারভীন, আফরোজা কালাম, প্রেস ক্লাব, চট্টগ্রামের সাবেক সাধারণ সম্পাদন মহসিন চৌধুরী প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সুলতান মিয়া, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অঞ্জনা ভট্টাচার্য, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নারগীস সুলতানা,বিজেএমই চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সেক্রেটারী করিম উল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ।

সভায় মেয়র আরো বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে শিশুদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। এখনকার অভিভাবকরা শিশুদের বেড়ে উঠা এবং পড়ালেখা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকে এবং একা একা বেড়ে উঠার কারণে এখনকার শিশুরা অনেক বেশি আত্মকেন্দ্রীক। এ সমস্যা দূর করতে অভিভাবক ও শিশুদের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত কাউন্সেলিং। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ডে-কেয়ার সেন্টারের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে মেয়র আরো বলেন, এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও কারিতাস এবং অন্যান্য সেবাধর্মী সংস্থা নিয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।

তিনি বলেন, আমরা সকলেই সচেতন নাগরিক। আমাদের দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ব আছে। তাই দায়বদ্ধতার পাশাপাশি দায়িত্বের সাথেও শিশু সুরক্ষায় কাজ করছে এনজিও প্রতিষ্ঠান । এই প্রতিষ্ঠান সমুহ এই কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত আছেন বিধায় সমাজে ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।