banner

শেষ আপডেট ১২ ডিসেম্বর ২০১৮,  ২০:০৯  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী পাচ্ছেন মরণোত্তর বেগম রোকেয়া পদক

বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী পাচ্ছেন মরণোত্তর বেগম রোকেয়া পদক

৩০ নভেম্বর ২০১৮ | ১২:৩৭ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী পাচ্ছেন মরণোত্তর বেগম রোকেয়া পদক

আগামী ৯ ডিসেম্বর বীরাঙ্গনা রমা চৌধুরী পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক।নারী শিক্ষা এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে দেয়া হবে মরণোত্তর বেগম রোকেয়া পদক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রমা চৌধুরীর দীর্ঘদিনের সহচর ও তার বইয়ের প্রকাশক আলাউদ্দীন খোকন।

আলাউদ্দীন বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এনডিসি নাছিমা বেগম স্বাক্ষরিত চিঠিটি রমা চৌধুরীর ছেলে জহরলাল চৌধুরীর কাছে পাঠানো হয়েছে।বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ পদক তুলে দেবেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে দিদি নিলেন না কিছুই। তারপর আরো ৫টি বছর তিনি বেঁচে রইলেন। রোগে শোকে ভুগে ৩ সেপ্টেম্বর চলে গেলেন সবাইকে কাঁদিয়ে।দিদি বলতেন “বেঁচে থাকতে খড়কুটো দাও তাও ভালো মরার পরে সোনার মন্দির চাই না”। তবুও যে সম্মান প্রাপ্য, তা তার নামের পাশেই থাকছে-এটাই বড় পাওয়া।

১৯৪১ সালের ১৪ অক্টোবর চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন রমা চৌধুরী। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। চার ছেলে সাগর, টগর, জহর এবং দীপংকরকে নিয়ে ছিল তার সংসার।

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে দুই ছেলেকে হারানোর পাশাপাশি নিজের সম্ভ্রমও হারান রমা চৌধুরী। পুড়িয়ে দেওয়া হয় তার ঘর-বাড়ি। তবু জীবনযুদ্ধে হার মানেননি এ বীরাঙ্গনা। শুরু করেন নতুনভাবে পথচলা। লিখে ফেলেন ‘একাত্তরের জননী’, ‘এক হাজার এক দিন যাপনের পদ্য’ এবং ‘ভাব বৈচিত্র্যে রবীন্দ্রনাথ’ সহ ১৮টি বই। এসব বই বিক্রি করেই চলতো তার সংসার।