banner

শেষ আপডেট ১২ ডিসেম্বর ২০১৮,  ২০:০৯  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

যৌন হেনস্তার ব্যাপারে মুখ খুলবেন মহিলারা–প্রিয়তি

যৌন হেনস্তার ব্যাপারে মুখ খুলবেন মহিলারা–প্রিয়তি

৭ নভেম্বর ২০১৮ | ২৩:০০ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • যৌন হেনস্তার ব্যাপারে মুখ খুলবেন মহিলারা–প্রিয়তি

তনুশ্রী দত্তকে দিয়ে শুরু। তারপর দেশ জুড়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের মহিলারা যৌন হেনস্থার কাহিনী প্রকাশ্যে এনেছেন। মুখোশ খুলে গিয়েছে দেশের অনেক তাবড় ব্যক্তিত্বের। এবার সেই MeToo আন্দোলনের ঝড় বাংলাদেশেও। সম্প্রতি যৌন হেনস্থার কথা তুলে ধরেছেন এক বাংলাদেশি মডেল প্রিয়তি।

বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের বাসিন্দা মাকসুদা আখতার প্রিয়তি। তিনি প্রাক্তন মিস আয়ারল্যান্ডও বটে। তিনিই এক বাংলাদেশির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে এনে ফেসবুক পোস্টও করেন তিনি। তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৫ সালের মে মাসে একটি পণ্যের বিজ্ঞাপনে কাজ করে পারিশ্রমিক আনতে গিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট সংস্থার চেয়ারম্যানের হাতে যৌন হেনস্তার শিকার হন।

গত ২৯ অক্টোবর তিনি তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে এ নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছেন। অভিযুক্ত হিসেবে রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিকের নাম উল্লেখ করেন তিনি। সৈয়দা জারমিন জামান লোপা নামের একজনকে উদ্দেশ করে প্রিয়তি লেখেন, সেই দিন ওই চেয়ারম্যান একা কথা বলার উদ্দেশে লোপাকে রুম থেকে বেরিয়ে যেতে বলেছিলেন। এরপর তিনি রুম থেকে বেরিয়ে এসে লোপার কাছে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ও এ ঘটনার শাস্তি দাবি করেন।

বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রিয়তি জানিয়েছেন, এই ঘটনা নিয়ে আইরিশ পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। সেই অভিযোগ ইন্টারপোলের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাবে। প্রিয়তি ৩০ অক্টোবর ফেসবুক লাইভে এসে একটি ভিডিও বিবৃতি দেন, যাতে তিনি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। কীভাবে রফিকুল ইসলাম ২০১৫ সালের মে মাসে ঢাকায় তার অফিসে ‘অশালীনভাবে তার দেহের বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করেন এবং পরে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।’

এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলামের সাথেও বিবিসি বাংলার কথা হয়েছে। এতে তিনি এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেছেন, এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি। তাঁর দাবি তিনি প্রিয়তিকে চেনেনই না।

মিটু ক্যাম্পেইন নিয়ে ভারতের উদাহরণ দিয়ে প্রিয়তি লিখেছেন, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সেদেশের মহিলাদের পাশে থাকলে অপরাধী যত ক্ষমতাশালীই হোক যৌন হেনস্তার ব্যাপারে মুখ খুলবেন মহিলারা।