banner

শেষ আপডেট ১২ ডিসেম্বর ২০১৮,  ২০:০৯  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বাংলাদেশ আমাকে মারতে উদ্যত হয়েছিল– তসলিমা নাসরিন

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বাংলাদেশ আমাকে মারতে উদ্যত হয়েছিল– তসলিমা নাসরিন

৪ নভেম্বর ২০১৮ | ২২:২৯ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বাংলাদেশ আমাকে মারতে উদ্যত হয়েছিল– তসলিমা নাসরিন

 ‘বাংলাদেশ যা পারল না, পাকিস্তান সেটাই করে দেখাল।’ আসিয়া বিবির ইস্যুতে এমনটাই মন্তব্য করলেন নির্বাসিতা লেখিকা তসলিমা নাসরিন।গত কয়েকদিন ধরেই আসিয়া বিবির বিরুদ্ধে ধর্মবিদ্বেষের মামলা নিয়ে উত্তপ্ত পাকিস্তান। আসিয়া বিবির মৃত্যুদণ্ড বাতিল হওয়াতেই আগুন জ্বলে ওঠে পাকিস্তানে। এই সংখ্যালঘু পাক মহিলার ফাঁসির সাজা কমিয়ে দেয় ইমরান খানের সরকার৷

এই প্রসঙ্গেই তসলিমা একটি ট্যুইট করেছেন। সেখানে লিখেছেন, ”৯০-এর দশকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে বাংলাদেস আমাকে মারতে উদ্যত হয়েছিল। আমাকে দেশ থেকে বের কের দেওয়া হয়েছিল। আর কোনোদিন ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পাকিস্তান অন্তত ধর্মবিদ্বেষের মামলায় আসিয়া বিবিকে মুক্তি তো দিয়েছে। নিরাপত্তাও দিচ্ছে। বাংলাদেশ যা পারেনি, সেটাই করল পাকিস্তান।”

ইসলামের নবী মহম্মদকে অবমাননার অভিযোগে আসিয়া বিবিকে ২০১০ সালে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়। প্রতিবেশীদের সঙ্গে ঝগড়ার সময় তিনি এই অবমাননা করেন বলে অভিযোগ। তবে আসিয়া বিবি সব সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করতে থাকেন। তাঁকে বন্দি করা হয়৷

গত বুধবার আসিয়া বিবির সাজা কমিয়ে দেওয়া হয় সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায় আসিয়ার সাজা কম হওয়ার পরেই পাকিস্তানের কট্টরপন্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। কট্টরপন্থী ইসলামি গোষ্ঠীগুলো ব্লাসফেমি বা ধর্ম অবমাননার অভিযোগের জন্য কঠোর সাজার পক্ষে।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানে ধর্ম অবমাননা আইনটি ঘিরে প্রবল বিতর্ক রয়েছে৷ সংখ্যালঘু হিন্দু, শিখ, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধরা দাবি করেন, এই আইনের বলে সংখ্যাগুরুরা অত্যাচার চালান৷ অভিযোগ, আসিয়া বিবির বিরুদ্ধে ঠুনকো প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে এই মামলা করা হয়েছে। আদালতে যখন রায় ঘোষণা করা হয়, তখন আসিয়া বিবি সেখানে ছিলেন না। কারাগারে যখন তার কাছে এই খবর এসে পৌঁছায়, তিনি তা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।