banner

শেষ আপডেট ১২ ডিসেম্বর ২০১৮,  ২০:০৯  ||   বৃহষ্পতিবার, ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

মরুর তাপে ওষ্ঠাগত প্রাণ তবু হেরা গুহায় ধর্মভীরুদের ঢল

মরুর তাপে ওষ্ঠাগত প্রাণ তবু হেরা গুহায় ধর্মভীরুদের ঢল

২৫ অক্টোবর ২০১৮ | ২২:৩৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • মরুর তাপে ওষ্ঠাগত প্রাণ  তবু হেরা গুহায় ধর্মভীরুদের ঢল

সায়েম ফকরীঃ মুসলমানদের জন্য হেরা গুহা একটি পবিত্রতম স্থান। ইসলামিক নিদর্শনের মধ্যে জাবাল আল-নূর পাহাড়ের এই স্থানটি অনন্য। এখানে বসেই ধ্যান করতেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)। খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহু হেরা গুহায় ধ্যানমগ্ন হযরত মুহাম্মদ (স.) এর জন্য নিয়মিত খাবার দিয়ে আসতেন। রাসূল (স.) ৪০ বছর বয়সে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় এখানেই সর্বপ্রথম কোরআন নাজিল হয়। হেরা গুহায় বসেই নবুয়াত লাভ করেন তিনি।

মক্কার মসজিদুল হারাম থেকে ৫ কিলোমিটার উত্তর দিকে অবস্থিত জাবাল আল-নূর পাহাড়। এর উচ্চতা ৬৪২ মিটার। মক্কার সর্বোচ্চ পাহাড়ও এটি। হেরা গুহাটি পাহাড়ের চূড়া থেকে ৫০ মিটার নিচে। গুহার প্রবেশ পথ উত্তরমুখী এবং এর উচ্চতা মধ্যম আকৃতির একজন মানুষের উচ্চতার সমান। এ গুহাতে এক সঙ্গে ৫ জন বসতে পারেন। ওই গুহার একটি পাথরে খোদাই করে সুরা আলাকের প্রথম কয়েকটি আয়াত লেখা আছে।
প্রতি বছর হজ,ওমরার জন্য সৌদি আরবে গমনকারীদের হেরা গুহার প্রতি অন্যরকম আকর্ষণ থাকে। কখনো এর ব্যাতিক্রম হয়না। প্রচণ্ড গরম উপক্ষো করে হেরা গুহা দেখতে ছুটে গেছেন অনেকেই।
ওমরা পালন করতে আসা একটি কাফেলায় আছে বিভিন্ন বয়সের নারী-পুরুষ ।
পাহাড়ে উঠতে গিয়ে প্রচণ্ড গরমে ঘেমেছেন তারা। হেরা গুহার কাছে পৌঁছানোর পর ঘামে ম্লান ছিল তাদের মুখমণ্ডল। তবে তাদের চোখে-মুখে ছিল মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতার ছাপ; এসময় তাদের অনেকের চোখ থেকে ঝরছিল সন্তুষ্টির অশ্রু।