banner

শেষ আপডেট ১১ ডিসেম্বর ২০১৮,  ২২:৪৫  ||   বুধবার, ১২ই ডিসেম্বর ২০১৮ ইং, ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

পরিবেশ সুরক্ষা ও নান্দনিক পরিবেশ বাস্তবায়িত হলেই আর্থ-সামাজিকের অগ্রগতি

পরিবেশ সুরক্ষা ও নান্দনিক পরিবেশ বাস্তবায়িত হলেই আর্থ-সামাজিকের অগ্রগতি

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১৭:৫৮ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • পরিবেশ সুরক্ষা ও নান্দনিক পরিবেশ বাস্তবায়িত হলেই আর্থ-সামাজিকের অগ্রগতি

নজরুল ইসলাম তোফা : পরিবেশ অবক্ষয় কিংবা ব্যাপক দূষণের ফলে সারা বিশ্ব আজ অনেকাংশেই বিপর্যস্ত। মানবজীবন, প্রাণীজগৎ, জীববৈচিত্র্য যেন হুমকির সম্মুখীন। তাই পরিবেশ সুরক্ষার উদ্যোগেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল সহ বিশ্বের কিছু দেশে গিয়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন পদক্ষেপের নানামুখী কর্মসূচি তুলে ধরেছে। আবার পরিবেশ সুরক্ষা এবং বিনিয়োগ বিকাশের উদ্যোগ জাতীয় সংসদ ভবনেই উত্থাপিত হয়। বলা যায় পরিবেশের যথাযথ কাজও চলছে। শেখ হাসিনার এমন এই উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রেই একটি নতুন মাইলফলক হবে। শেখ হাসিনার বৃহৎ উদ্যোগ বৃক্ষ রোপণ এবং তাকে নিধন রোধেই যেন বহু পদক্ষেপ থাকে। তিনার নির্দেশেই সারা বাংলায় প্রতিটি নাগরিকের বাড়ি ও আশপাশে একটি করে বনজ, ফলদ ও ঔষধি বৃক্ষ রোপণের যে আন্দোলন আজ অবধি তা দৃশ্যমান। শুধুই কি বৃক্ষ কিংবা গাছ রোপণ তা কিন্তু নয়, এ দেশের খাল-বিল, নদী-নালা, জলাধার সংরক্ষণেও যেন আন্দোলন চলছে এবং তাকে এগিয়ে নেয়ার জন্যেই কৃতিত্ব কিন্তু জননেত্রী শেখ হাসিনার রয়েছে। বৃক্ষমেলা কিংবা বৃক্ষরোপণ সপ্তাহে গাছের প্রতি মানুষের অনেকাংশে মমত্ব যেন দেখা যায়, সুতরাং তার জন্যে তাঁকে সকল প্রশংসা এবং সাধুবাদ দিলে ভুল হবে না। দেশব্যাপী নদী বা খাল উদ্ধার কিংবা জলাধার নিশ্চিত করণেই শেখ হাসিনা তাঁর সংশ্লিষ্ট বিভাগ গুলোকে কঠোর নির্দেশ দিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা কিংবা নান্দনিকতা বিকাশেই সচেষ্ট ভূমিকা রাখছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ চিন্তাপ্রসূত বলতে হয়। ইতোমধ্যে তিনি এমন ‘বিশেষ উদ্যোগ’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। ইউনেস্কো ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘শান্তিবৃক্ষ’ সম্মাননা তুলে দেয়ার সময় ইউনেস্কোর প্রধান “ইরিনা সেকোভা” বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলেছিল তিনিই একজন সাহসী নারী। বিশ্ব পর্যায়েও প্রধানমন্ত্রীর নারী এবং কন্যা শিশুদের ক্ষমতায়নে রয়েছে জোরালো কণ্ঠ। বিশ্বব্যাপী পরিবেশ বিপর্যয়ের মারাত্মক ঝুঁকিতেও বাংলাদেশ তার অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকাই রেখেছে। শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় গৃহীত এক উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার প্রাপ্তিতে বিশ্ব দরবারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এনে দিয়েছে অনন্য স্বীকৃতি- তাকে নিয়ে গেছে অন্য এক উচ্চতায় যেখানে তার তুলনা বলা যায়, তিনি নিজেই। আবার একই বছর ‘পলিসি লিডারশিপ’ ক্যাটাগরিতে জাতিসংঘে এক পরিবেশ বিষয়ক সেমিনারে সর্বোচ্চ পুরস্কারের জন্যেই বেছে নেয়া হয় বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে।
বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবেশগত ভাবে যেন নাজুক অবস্থায় থাকায় সৃষ্ট হয় প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জ। এমন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথম বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং প্রগতির সঠিক রূপকার হিসেবেই সফল নেতৃত্বাধীন এই সরকারের গৃহীত সুদূরপ্রসারী নানান পদক্ষেপ, জলবায়ু এবং পরিবেশ ইস্যুতে বিভিন্ন উন্নয়ন করেন। জলবায়ুগত পরিবর্তনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবার জন্যেই তাকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে সম্মানীত করাও হয়েছিল। এমন ভাবেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রশংসাও কুড়িয়েছে।
“শান্তিবৃক্ষ” সম্মাননা নেয়ার সময় শেখ হাসিনা তাঁর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে দৃঢ়কণ্ঠে বলেছে, ২০১৫ পরবর্তী সময়ের মধ্যেই টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আলোকে আমরা আমাদের রূপকল্প-২০৪১ সালের ভিত্তিতেই একটি উন্নত, সু শিক্ষিত ও বিজ্ঞান মনস্ক সমাজ, রুচিশীল পবিবেশ গঠনের সোপান রচনায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন তা হলো, বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই ক্ষতিগ্রস্ত দেশ গুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। আর এই কারণে পরিবেশ সংরক্ষণ করা কিংবা তার বিপর্যয় রোধের বিষয়টিকে বাংলাদেশ সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখেছিল এবং দেখছে। তাই সুদক্ষ আওয়ামী লীগ সরকার প্রধান হিসেবেই এমন এই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ উদ্যোগে পরিবেশ সুরক্ষা ও তার পক্ষে জনসচেতনতা তৈরিতে সম্ভাব্য সব ধরনের উদ্যোগ ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। বর্তমান সরকার দেশের পরিবেশের ব্যাপারে যেন কোনো ধরনের ছাড় দিতে নারাজ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষুরধার যুক্তি উত্থাপন এবং যোগ্য নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলন গুলোতে উন্নত দেশ গুলোর মধ্যে বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, ইতালি এবং ফ্রান্স সহ বেশ কয়েকটি দেশে যেন পরিবেশে সুরক্ষায় একটি তহবিল গঠনে সম্মত হয়। এরই সঙ্গেই সিদ্ধান্ত হয়, এই তহবিলের বড় অংশই ব্যয় হবে বাংলাদেশ সহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশ গুলোতে। বিশ্বজুড়েই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ সুরক্ষায় এই বাংলাদেশের ভূমিকা তুলে ধরে প্রশংসিত হয়েছে।
পরিবেশ বিষয়ক কিছুকথা ইতিহাসের আলোকেই চলে আসতে পারে। তা হলো, আন্তর্জাতিক ভাবেই ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে জুনে সুইডেনের একটি স্টকহোমে অনুষ্ঠিত মানব পরিবেশের উপর ১ম জাতি সংঘের সম্মেলনে পরিবেশ সুরক্ষা এবং দুর্যোগ প্রবণ দেশ গুলোর প্রতি দৃৃষ্টি দেয়়ার আলোচনার সূত্রপাত ঘটে। এমন এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে যেন বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতি সংঘের সাধারণ পরিষদের ২৭তম অধিবেশনে অনেক সিদ্ধান্তে তারা উপনীত হন। তাই তো প্রতি বছর পাঁচ জুনেই “বিশ্ব পরিবেশ দিবস” পালিত হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সুরক্ষা বিভিন্ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যেই পরিবেশ বিষয়ক এক ঘোষণা হলে পার হয়ে যায় “এক দশক”। কিন্তু এমন এ এক দশকেই দেখা যায়, আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক এবং স্থানীয় ভাবেই যেন পরিবেশ সংরক্ষণ বা গণসচেতনতা অগ্রগতিটা ছিল খুবই ধীর। ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত “ধরিত্রী” সম্মেলনে গৃহীত এজেন্ডা ২১ বাস্তবায়ন এর অংশ হিসেবে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে- “জাতীয় পরিবেশ ব্যবস্থাপনা” কার্যক্রম (নমাপ)। পরিবেশ অধিদপ্তর, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ ইং এবং “পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা” ১৯৯৭- এর আওতায় নিয়মিত ভাবেই পানি, মাটি এবং বায়ু দূষণের মনিটরিংয়ের কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে প্রণীত হয় ”পরিবেশ নীতি” এবং ”পরিবেশ সংরক্ষণ আইন” কার্যকর হয় ১৯৯৫ সালে। আবারও ১৯৯৭ সালে জারিকৃত বিধিমালার অধীনে দূষণকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান চিহ্নিতকরণ এবং সেসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ কিংবা নতুন শিল্প কারখানার ক্ষেত্রে পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করণেই ”ছাড়পত্র” গ্রহণ প্রথাও একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। শুধু কি শিল্প ক্ষেত্রেই তা কিন্তু নয়, সরকারি এবং বেসরকারি যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রেই যেন ছাড়পত্র গ্রহণ পদ্ধতি প্রবর্তনের নজির রয়েছে। পরিবেশ অধিদপ্তর চারটি শিল্প সেক্টরের জন্য পরিবেশ ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে। অত্যধিক জনসংখ্যা, দেশীয় মানুষ এর তুলনায় সম্পদের সীমাবদ্ধতা, দেশের মানুষের পরিবেশ সম্পর্কে অভিজ্ঞতার ছিল কম, নদ–নদীর পানি দূষণ কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, এসব সমস্যার মুখোমুখি বাংলাদেশ। পরিবেশ সংরক্ষণে প্রয়োজন সকল মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রচেষ্টায় ও শেখ হাসিনার চিন্তাপ্রসূত উদ্যোগ আসলেই অবাক করার মতোই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই করতে পরিবেশকে দূষণমুক্ত রাখাতে অনেক কাজ করেছে। আর এমন লক্ষ্যেই একটি প্রতিপাদ্য বিষয়ের আলোকে আন্তর্জাতিক ভাবেই অনেক আহ্বান পেয়ে থাকে।
পরিবেশকে ধ্বংস, বনকে দখল, নদী-খাল দখলসহ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত করে কিংবা কোনো কারণেই হয় বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকার তার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এসব সম্ভব হয়েছে এ সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কারণেই। পরিবেশের জন্যে হুমকি কিংবা ক্ষতিকর কোনো গোষ্ঠী বা শক্তিকেই শক্ত ভাবেই প্রতিহত করতে বদ্ধ পরিকর সরকার ও তার সংশ্লিষ্ট দপ্তর। আসলেই বর্তমান সরকার মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে যে বাংলার ধরিত্রী সবুজ থাকলে মানুষের প্রাণ সবুজ থাকবে- আর মানুষের মন-প্রাণ সবুজ থাকলে তার জীবনী শক্তি, কর্মপন্থা ও উদ্যম বহুগুণেই বেড়ে যাবে। আর এই সব বেড়ে গেলে তা জাতীয় জীবনে সুদূর প্রসারী ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করেন শেখ হাসিনা। আর এই কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, দেশের মোট জনশক্তির অর্ধেক নারী। এই নারী সকল উন্নয়ন ও অগ্রগতির সহায়ক শক্তি। নারীর হাতে পরিবেশ, প্রকৃতি সঠিক পরিচর্যা পায়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিচর্যা এবং সুরক্ষায় তার অবস্থান থেকে পরিষ্কার। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ বিবেচনায় রেখেই তিনি এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবাইকে যার যার জায়গা থেকেই নিবেদিত ভাবে পরিবেশ সংক্রান্ত কাজ করে যাওয়ার জন্যেই উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছে। পরিবেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে- আর মানুষ বেঁচে থাকলে দেশও স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে। অর্থাৎ পরিবেশ বা মানুষ একটি আরেকটির পরিপূরক। কৃষক, জেলে, কারুশিল্পী এবং নারীদের জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুঁকি নিরসনে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্যেই বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের কৃষক, জেলে, কারুশিল্পী, নারীরা দিনে দিনেই অধিকতর ঝুঁকিতে পড়ছে। তাদের জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। কৃষি বা খাদ্য নিরাপত্তার দিকে অনেক ভালো ভাবে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রেই সারা বিশ্ব সম্প্রদায় এবং ব্যবসায়ীদের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। স্বল্প আয়ের ক্ষতিগ্রস্ত দেশ গুলোকে রক্ষা করার জন্য প্যারিস চুক্তিকে সামনে এগিয়ে নেয়ার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরিবেশ উন্নয়ন কর্ম কাণ্ডে মানুষকে সম্পৃক্ত করেছে এবং আগামীতেও করবে।প্রান্তিক মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের সব স্তরের মানুষকেই উন্নয়ন কর্ম কাণ্ডে একীভূত করেই এমন বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে নান্দনিক পরিবেশের জন্য একধরনের যুদ্ধে নেমেছে। বঙ্গবন্ধু ‘সোনার বাংলা’ স্বপ্নকে পরিপূর্ণ করতেই তিনি এমন যুদ্ধে দেশপ্রেমিক জনতাকেও এক সুতোয় গেঁথেছে। সুতরাং তাঁরই এই ধারাবাহিকতার সুফল দিনে দিনে পাচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশ। এমন বাংলাদেশ আজ আর বিশ্বের তথাকথিত দেশসমূহের কাছে পিছিয়ে পড়া দেশ নয়। বিশ্বের বহু দেশের কাছে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন আর অগ্রগতির রোল মডেল। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় ও ত্বরান্বিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ২০২১ সালের মধ্যেই এমন দেশকে ক্ষুধা এবং দারিদ্র্য মুক্ত করে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করে এক রুচিশীল পরিবেশ উপহার দিতেই যেন আপ্রাণ চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনার এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই সঠিক ভাবে বাস্তবায়নের জন্যে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে, আবার সেই অনুযায়ী পরিবেশ সংক্রান্ত কাজও এগিয়ে চলছে ও চলবে।
লেখক: নজরুল ইসলাম তোফা, টিভি ও মঞ্চ অভিনেতা, চিত্রশিল্পী, সাংবাদিক, কলামিষ্ট এবং প্রভাষক।