banner

শেষ আপডেট ১৬ অক্টোবর ২০১৮,  ২২:২৪  ||   বুধবার, ১৭ই অক্টোবর ২০১৮ ইং, ২ কার্তিক ১৪২৫

স্লিপে জরিমানা আদায়: বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার

স্লিপে জরিমানা আদায়: বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার

২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১৮:২৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • স্লিপে জরিমানা আদায়: বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার

ক্রাইম প্রতিবেদকঃ নগরীত যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার হুমকি দিয়ে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে। গাড়ি থেকে জরিমানা আদায়ে অত্যাধুনিক মেশিন থাকলেও জরিমানা করা হয় স্লিপে লিখে। স্লিপে করা জরিমানার টাকা আদায় করা হয় মেশিনের থেকে চার-পাঁচ গুন বেশি। আর আদায় করা জরিমানার টাকা যাচ্ছে ট্রাফিক পুলিশের হাতে। এতে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জানাগেছে চট্টগ্রামের ট্রাফিক ব্যবস্থা অনলাইনের আওতায় আসার পর, ত্রুটিপূর্ণ গাড়ি ও লাইসেন্সবিহীন চালকদের বিরুদ্ধে পজ মেশিনে মামলা দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ট্রাফিক বিভাগে পজ মেশিন থাকলেও,  সার্জেন্টরা নেটওয়ার্কের সমস্যা দেখিয়ে তা ব্যবহার করছেন না । গত কয়েক মাসে  দেখা যায়, স্লিপে দেয়া মামলা ও জরিমানার টাকার পরিমাণ অত্যাধুনিক পজ মেশিনের থেকে প্রায় অনেকগুণ বেশি।
নগরীর বেশীরভাগ বাস ও সি এন জি চালকরা বলেন, সার্জেন্টরা প্রায়ই আমাদের ‘লাল স্লিপের মামলাই দিচ্ছে। কিন্তু পজ মেশিনের মামলা দিচ্ছেনা। আর আমাদের লাইসেন্স থাকলেও বলে যে চার চাকার লাইসেন্স দেখিয়ে তিন চাকার যানবাহন চালানো যাবেনা।
সূত্র জানায় চালকের লাইসেন্স না থাকলে পজ মেশিনে মামলা দিলে জরিমানা দিতে হয় ২ শত টাকা, সাধারণ স্লিপে মামলা দিয়ে আদায় করা হয় ৮শ থেকে এক হাজার টাকা। এতে যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলার বিপরীতে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জরিমানা নগদে আদায় করায় অনিয়ম বাড়ছে বলে মনে করেন ভূক্তভোগীরা।
চট্টগ্রাম মেট্রো পরিবহণ মালিক গ্রুপের মহাসচিব ইকবাল হোসেন সানু বলেন, ‘পজ মেশিনে মামলা দেওয়ার প্রথা এখন আস্তে আস্তে বিলুপ্তির দিকে যাচ্ছে। মামলার যে গতানুগতিক স্লিপ, অর্থাৎ লাল স্লিপ সেটা দিয়েই এখন মামলা দেয়া হচ্ছে। এতে কোথাও না কোথাও একটা ফাঁকি আছে বলে মনে হয়।’
চট্টগ্রাম ট্রাফিক পুলিশের সদরঘাট জোনের ট্রাফিক পরিদর্শক সুভাষ দাশ দি ক্রাইমকে  বলেন যদি এধরনের অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।  তিনি আরও বলেন, ‘কেউই আইনের উর্ধ্বে না। এ কথাটা আমরা বিভিন্ন ভাবে শুনি কিন্তু এটার স্পষ্ট কোন প্রমাণ আমাদের কাছে নেই।
ট্রাফিক বিভাগের অপর এক কর্মকর্তা বলেন, ‘পজ মেশিনে মামলা দেই না, এটা ঠিক না। আমরা পজ মেশিনেও মামলা দিয়ে থাকি কিন্তু, অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে মামলা দেয়ার জন্য স্লিপে মামল দেয়া হয়।