banner

শেষ আপডেট ১৪ নভেম্বর ২০১৮,  ১১:৩৩  ||   বুধবার, ১৪ই নভেম্বর ২০১৮ ইং, ৩০ কার্তিক ১৪২৫

বিএনপির কাছে চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই জোটের শরিক দলগুলোর

বিএনপির কাছে চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই জোটের শরিক দলগুলোর

১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ | ১৭:১৫ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • বিএনপির কাছে চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই জোটের শরিক দলগুলোর
ক্রাঃ ডেস্কঃ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে মাঠে দেখা না গেলেও একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আসন বণ্টন নিয়ে বিএনপির কাছে চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর। আসন বণ্টনের ফয়সালা করতে প্রতিনিয়ত তারা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের চাপ দিচ্ছেন। বিএনপির কাছে জোটের শরিক দলগুলোর প্রত্যাশা প্রায় ২০০ আসন। যদিও জোটের ১২টি দলের নিবন্ধনই নেই। অন্যদিকে ভারসাম্যের রাজনীতির কথা বলে বিএনপির কাছে যুক্তফ্রন্টের এক নেতা ১৫০ আসন দাবি করেছেন। তাতে দেখা যায়, ৩০০ সংসদীয় আসনের একটিও থাকে না বিএনপির ভাগ্যে। আবার কোনো কোনো দল ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি পদেরও আবদার করেছে বিএনপির কাছে। এ অবস্থায় বিব্রত বিএনপির হাইকমান্ড। জোটের আচরণে ভিতরে ভিতরে ক্ষুব্ধ হলেও পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে আপাতত কিছুই বলছেন না বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা।
২০ দলীয় জোট সূত্র জানায়, বিএনপির কাছে ২০০ আসন চেয়েও খুশি নন জোটের শরিক দলগুলো। তাদের দাবি, আসন নিয়ে বিএনপির কাছ থেকে কোনো আশ্বাসই মিলছে না। গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে জোটের বৈঠকে আসন বণ্টন নিয়ে কোনো কথাই বলেনি বিএনপি। এ নিয়ে হতাশ জোটের শরিকরা। তবে বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের এক নেতার ১৫০ আসন চাওয়া নিয়ে হাসাহাসি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জোটের শরিক দলের একাধিক নেতা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই তারা বিএনপি জোট আঁকড়ে ধরে রয়েছেন। কিন্তু আগামী নির্বাচন নিয়ে কোনো কথাই বলছে না বিএনপি। এটা তাদের এখনই স্পষ্ট করা উচিত।’
শরিক দল ও অন্য জোট হলে তাদের জন্য কতটি আসন দেওয়া হবে এমন প্রশ্ন করা হয় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। তিনি বলেন, ‘আসন বণ্টনের ব্যাপারে এখনো স্পষ্ট করে বলার সময় আসেনি। কারণ, নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়টিই এখনো সুরাহা হয়নি। আমাদের এখন প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। তবে বৃহত্তর জোট হলে বিএনপি তো ছাড় দেবেই। এখনই বলার সময় আসেনি।’
সূত্রে জানা যায়, বিএনপির কাছে জোটের অন্যতম প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামী চায় অন্তত ৬০টি আসন। জোটের অন্যতম শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও খেলাফত মজলিস চায় অন্তত ৩০টি করে আসন। এ ছাড়া জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) ১৫টি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ১০টি, বিজেপি ২টি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং লেবার পার্টি চায় ৬টি করে আসন, বাংলাদেশ ন্যাপ ৫টি, এনডিপি ২টি, জাগপা ও এনপিপি চায় ৪টি করে আসন, ডেমোক্রেটিক লীগ ও ন্যাপ চায় (ভাসানী) ২টি করে আসন এবং সাম্যবাদী দল চায় ১টি আসন। এ ছাড়া যুক্তফ্রন্ট বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচনে গেলে অন্তত ৫০টি আসন চাইতে পারে বলে জানা গেছে।
জোটের শরিক দল কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক বলেন, ‘বিএনপির কাছে শরিক দল হিসেবে কল্যাণ পার্টি ১০টি আসন চায়। তবে বড় শরিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে যা সিদ্ধান্ত হবে তাকেই সম্মান দেখাবে কল্যাণ পার্টি।’
জোটের অন্যতম শরিক দল এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘তার দলে বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী-এমপি রয়েছেন। সেক্ষেত্রে এলডিপির ৩০টি আসন চাওয়া অযৌক্তিক কিছু নয়। তারপরও এ নিয়ে আলাপ-আলোচনা হলে একটি সিদ্ধান্তে আসা যায়। কিন্তু বিএনপি এ নিয়ে কোনো কথাই বলছে না।’
এদিকে ২০ দল ছাড়াও যুক্তফ্রন্টসহ সরকারবিরোধী অন্যান্য দলগুলোকে জাতীয় ঐক্য গড়তে কাজ করছে বিএনপি। সেটা সফল হলে তাদেরও আরও বেশ কয়েকটি আসন ছেড়ে দিতে হবে। যুক্তফ্রন্টের উদ্যোক্তা অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, তার ছেলে মাহী বি চৌধুরী, মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, অন্য দলের মধ্যে ড. কামাল হোসেন, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ এসব দলের সিনিয়র নেতাদের জন্য অন্তত কিছু আসন ছেড়ে দিতে হবে বিএনপিকে। এক্ষেত্রে বিএনপি কিছু ছাড়ও দিতে চায়। শনিবার এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আসন ছাড় দেওয়ার কথাটি তুলে ধরেন।
এ প্রসঙ্গে বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা একটি জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি নিয়ে কাজ করছি। এখানে আসন সংখ্যা মুখ্য হতে পারে না। আমরা জাতীয় রাজনীতির ভারসাম্য চাই, যাতে এককভাবে কোনো দল ক্ষমতায় না থাকে। বিএনপি একটি বড় দল হিসেবে তাদের আসন সংখ্যা বাড়তেই পারে তবে সেটা যেন ১৫০-এর বেশি না হয়।’
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, জোটের দুই চারটি দল ছাড়া অধিকাংশই নাম ও প্যাডসর্বস্ব। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন নেই অন্তত ১২টির। জোটের অন্যতম প্রধান শরিক জামায়াতের নিবন্ধনও বাতিল হয়েছে। যদিও বিষয়টি এখন উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কোনো দলই ধানের শীষ প্রতীকের বাইরে নির্বাচন করে জিতে আসাও কঠিন। বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা যত ভোট পাবেন, অনেক শরিক দলের কোনো কোনো নেতা সেই ভোটও পাবেন না, এটাই বাস্তবতা। বিষয়টি জোটকেও বুঝতে হবে। তারপরও বিএনপি জোটকে অবমূল্যায়ন করছে না। বিএনপি প্রধান এখন জেলে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া এখনো অনিশ্চিত। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই আন্দোলনে জোটের শরিকদের তেমন কোনো গরজ নেই। তারা সবাই এখন নিজেদের আসনের নিশ্চয়তা চায়।
জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা বিএনপির সঙ্গে আসন নিয়ে কথা বলতে চাইলে বিষয়টিকে তারা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। দীর্ঘ সাত বছর ধরেই শুধু নানাবিধ আশ্বাসেই কাটাতে হচ্ছে শরিকদের। বিএনপির এই দুঃসময়ে জোটের কোনো শরিক দল ছেড়ে যায়নি। এ বিষয়টিও বিএনপি স্বীকার পর্যন্ত করে না। তা ছাড়া ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে অনেকাংশে বিএনপির নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো চাপিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর ২০ দলকে বলা হয়, আপনারা সমর্থন দিন। তাতেই সমর্থন দেয় ২০ দল।
বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে মাঠে দেখা না গেলেও একাদশ জাতীয় নির্বাচনে আসন বণ্টন নিয়ে বিএনপির কাছে চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর। আসন বণ্টনের ফয়সালা করতে প্রতিনিয়ত তারা বিএনপির নীতিনির্ধারকদের চাপ দিচ্ছেন। বিএনপির কাছে জোটের শরিক দলগুলোর প্রত্যাশা প্রায় ২০০ আসন। যদিও জোটের ১২টি দলের নিবন্ধনই নেই। অন্যদিকে ভারসাম্যের রাজনীতির কথা বলে বিএনপির কাছে যুক্তফ্রন্টের এক নেতা ১৫০ আসন দাবি করেছেন। তাতে দেখা যায়, ৩০০ সংসদীয় আসনের একটিও থাকে না বিএনপির ভাগ্যে। আবার কোনো কোনো দল ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতি পদেরও আবদার করেছে বিএনপির কাছে। এ অবস্থায় বিব্রত বিএনপির হাইকমান্ড। জোটের আচরণে ভিতরে ভিতরে ক্ষুব্ধ হলেও পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে আপাতত কিছুই বলছেন না বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা।
২০ দলীয় জোট সূত্র জানায়, বিএনপির কাছে ২০০ আসন চেয়েও খুশি নন জোটের শরিক দলগুলো। তাদের দাবি, আসন নিয়ে বিএনপির কাছ থেকে কোনো আশ্বাসই মিলছে না। গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে জোটের বৈঠকে আসন বণ্টন নিয়ে কোনো কথাই বলেনি বিএনপি। এ নিয়ে হতাশ জোটের শরিকরা। তবে বৈঠকে যুক্তফ্রন্টের এক নেতার ১৫০ আসন চাওয়া নিয়ে হাসাহাসি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জোটের শরিক দলের একাধিক নেতা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, ‘নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করেই তারা বিএনপি জোট আঁকড়ে ধরে রয়েছেন। কিন্তু আগামী নির্বাচন নিয়ে কোনো কথাই বলছে না বিএনপি। এটা তাদের এখনই স্পষ্ট করা উচিত।’
শরিক দল ও অন্য জোট হলে তাদের জন্য কতটি আসন দেওয়া হবে এমন প্রশ্ন করা হয় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। তিনি বলেন, ‘আসন বণ্টনের ব্যাপারে এখনো স্পষ্ট করে বলার সময় আসেনি। কারণ, নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়টিই এখনো সুরাহা হয়নি। আমাদের এখন প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে গণতন্ত্রের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। তবে বৃহত্তর জোট হলে বিএনপি তো ছাড় দেবেই। এখনই বলার সময় আসেনি।’
সূত্রে জানা যায়, বিএনপির কাছে জোটের অন্যতম প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামী চায় অন্তত ৬০টি আসন। জোটের অন্যতম শরিক লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ও খেলাফত মজলিস চায় অন্তত ৩০টি করে আসন। এ ছাড়া জোটের শরিক দল জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) ১৫টি, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি ১০টি, বিজেপি ২টি, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং লেবার পার্টি চায় ৬টি করে আসন, বাংলাদেশ ন্যাপ ৫টি, এনডিপি ২টি, জাগপা ও এনপিপি চায় ৪টি করে আসন, ডেমোক্রেটিক লীগ ও ন্যাপ চায় (ভাসানী) ২টি করে আসন এবং সাম্যবাদী দল চায় ১টি আসন। এ ছাড়া যুক্তফ্রন্ট বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচনে গেলে অন্তত ৫০টি আসন চাইতে পারে বলে জানা গেছে।
জোটের শরিক দল কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক বলেন, ‘বিএনপির কাছে শরিক দল হিসেবে কল্যাণ পার্টি ১০টি আসন চায়। তবে বড় শরিক দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে যা সিদ্ধান্ত হবে তাকেই সম্মান দেখাবে কল্যাণ পার্টি।’
জোটের অন্যতম শরিক দল এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, ‘তার দলে বেশ কয়েকজন সাবেক মন্ত্রী-এমপি রয়েছেন। সেক্ষেত্রে এলডিপির ৩০টি আসন চাওয়া অযৌক্তিক কিছু নয়। তারপরও এ নিয়ে আলাপ-আলোচনা হলে একটি সিদ্ধান্তে আসা যায়। কিন্তু বিএনপি এ নিয়ে কোনো কথাই বলছে না।’
এদিকে ২০ দল ছাড়াও যুক্তফ্রন্টসহ সরকারবিরোধী অন্যান্য দলগুলোকে জাতীয় ঐক্য গড়তে কাজ করছে বিএনপি। সেটা সফল হলে তাদেরও আরও বেশ কয়েকটি আসন ছেড়ে দিতে হবে। যুক্তফ্রন্টের উদ্যোক্তা অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী, তার ছেলে মাহী বি চৌধুরী, মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান, আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্না, অন্য দলের মধ্যে ড. কামাল হোসেন, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীসহ এসব দলের সিনিয়র নেতাদের জন্য অন্তত কিছু আসন ছেড়ে দিতে হবে বিএনপিকে। এক্ষেত্রে বিএনপি কিছু ছাড়ও দিতে চায়। শনিবার এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আসন ছাড় দেওয়ার কথাটি তুলে ধরেন।
এ প্রসঙ্গে বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা একটি জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি নিয়ে কাজ করছি। এখানে আসন সংখ্যা মুখ্য হতে পারে না। আমরা জাতীয় রাজনীতির ভারসাম্য চাই, যাতে এককভাবে কোনো দল ক্ষমতায় না থাকে। বিএনপি একটি বড় দল হিসেবে তাদের আসন সংখ্যা বাড়তেই পারে তবে সেটা যেন ১৫০-এর বেশি না হয়।’
বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা জানান, জোটের দুই চারটি দল ছাড়া অধিকাংশই নাম ও প্যাডসর্বস্ব। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন নেই অন্তত ১২টির। জোটের অন্যতম প্রধান শরিক জামায়াতের নিবন্ধনও বাতিল হয়েছে। যদিও বিষয়টি এখন উচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। কোনো দলই ধানের শীষ প্রতীকের বাইরে নির্বাচন করে জিতে আসাও কঠিন। বিএনপির ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতারা যত ভোট পাবেন, অনেক শরিক দলের কোনো কোনো নেতা সেই ভোটও পাবেন না, এটাই বাস্তবতা। বিষয়টি জোটকেও বুঝতে হবে। তারপরও বিএনপি জোটকে অবমূল্যায়ন করছে না। বিএনপি প্রধান এখন জেলে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া এখনো অনিশ্চিত। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই আন্দোলনে জোটের শরিকদের তেমন কোনো গরজ নেই। তারা সবাই এখন নিজেদের আসনের নিশ্চয়তা চায়।
জোটের শরিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা বিএনপির সঙ্গে আসন নিয়ে কথা বলতে চাইলে বিষয়টিকে তারা তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। দীর্ঘ সাত বছর ধরেই শুধু নানাবিধ আশ্বাসেই কাটাতে হচ্ছে শরিকদের। বিএনপির এই দুঃসময়ে জোটের কোনো শরিক দল ছেড়ে যায়নি। এ বিষয়টিও বিএনপি স্বীকার পর্যন্ত করে না। তা ছাড়া ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে অনেকাংশে বিএনপির নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো চাপিয়ে দেওয়া হয়। এমনকি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার পর ২০ দলকে বলা হয়, আপনারা সমর্থন দিন। তাতেই সমর্থন দেয় ২০ দল।