banner

শেষ আপডেট ১৬ অক্টোবর ২০১৮,  ২২:২৪  ||   বুধবার, ১৭ই অক্টোবর ২০১৮ ইং, ২ কার্তিক ১৪২৫

অনিবার্য কারণে রাজধানীর ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনির্ভাসিটি বন্ধ

অনিবার্য কারণে রাজধানীর ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনির্ভাসিটি বন্ধ

৬ অগাস্ট ২০১৮ | ২০:৫৬ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • অনিবার্য কারণে  রাজধানীর ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনির্ভাসিটি  বন্ধ

ঢাকা অফিস : অনিবার্য কারণে রাজধানীর আফতাবনগরে অবস্থিত বেসরকারি ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনির্ভাসিটি দুইদিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার (০৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মহিউদ্দিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, অনিবার্য কারণে আগামী মঙ্গলবার (০৭ আগস্ট ২০১৮) ও বুধবার (০৮ আগস্ট ২০১৮) বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সোমবার দুপুরে নিরাপদ সড়কের দাবিতে মিছিল নিয়ে ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা রামপুরা টিভি গেট এলাকা অবরোধ করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের শিক্ষার্থীদের শান্ত করতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় তারা।

পরে ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অবস্থান নেয়। সেখান থেকে ছাত্ররা মিছিল করলে বহিরাগতরা ইট নিক্ষেপ করে। পরে ছাত্ররাও ইট নিক্ষেপ করলে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নেওয়াদের শান্ত করে। বহিরাগতদের হামলায় এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল গেটসহ ভেতরের গ্লাস ভেঙে যায়।

সৈকত নামে আহত এক ছাত্র বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিলাম। হঠাৎ কয়েকশ ব্যক্তি এসে আমাদের ওপর হামলা করে। এ হামলায় ৫০ জন আহত হয়েছেন। আমরা ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান নিলে সেখানে পুলিশ আমাদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

বাড্ডা জোনের এডিসি আহম্মেদ হুমায়ন বলেন, ইস্ট-ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে বহিরাগতদের সঙ্গে সংর্ঘষ হয়েছে। এতে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এখন পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক। ছাত্ররা বের হয়ে গেছে। বহিরাগতরাও চলে গেছে।

ওদিকে, সোমবার (৬ আগস্ট ২০১৮) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাস উদ্দিন বলেন, আমার ছাত্ররা হামলার সঙ্গে জড়িত নয়। তাদের হাতে কোনো লাঠি ছিল না। বহিরাগতরা এই হামলা চালিয়েছে। আর হামলায় আমার কিছু ছাত্র আহত হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একটা হট্টগোল সৃষ্টি হয়েছিল। এখন স্বাভাবিক আছে। ছাত্রদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমি পুলিশের সহযেগিতায় সবাইকে বাইরে বের করে দিচ্ছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লাসসহ কিছু ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে মামলা করবেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।