banner

শেষ আপডেট ১৫ জুন ২০১৯,  ১৯:২৩  ||   রবিবার, ১৬ই জুন ২০১৯ ইং, ২ আষাঢ় ১৪২৬

সারা দেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে

সারা দেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে

২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ | ১৯:০৩ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সারা দেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে

নির্বাচনের বছর এলে সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা অনেক বেড়ে যায়। দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হরতাল-অবরোধ, জ্বালাও-পোড়াও—কখন কোথায় কী শুরু হয়ে যায়, তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে যায়। এ বছর এখনো পরিস্থিতি ততটা খারাপের দিকে যায়নি।

কিন্তু দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাল্টাপাল্টি হুমকি-ধমকিতে মানুষ বড় অস্থির বোধ করছে। অস্থির বোধ করার কিছু কারণও রয়েছে। এরই মধ্যে এক দফা পুলিশের ওপর হামলা এবং প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর পর থেকেই শুরু হয়েছে ব্যাপক ধরপাকড়।

অন্যদিকে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে থাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাৎ মামলার রায় ঘোষিত হওয়ার কথা রয়েছে। রায়ে খালেদা জিয়ার শাস্তি হলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের কথাবার্তায় তেমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায়। ফলে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকারই কথা।

সংবিধান অনুযায়ী এ বছরের শেষ দিকে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারিতে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ এক বছরেরও কম সময় হাতে রয়েছে। এরই মধ্যে সারা দেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ দলে লবিং শুরু করেছেন। অনেকে এলাকায় জনসংযোগও শুরু করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতারা বিভিন্ন সভা-সমিতিতে দলের পক্ষে ভোট চাইতে শুরু করেছেন। বিএনপি নেতারা এখন পর্যন্ত বলছেন, তাঁরা এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। গত বুধবারও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে। তবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচন করব না।’ দলের কোনো কোনো নেতা এমনও বলেছেন, খালেদা জিয়ার শাস্তি হলে তাঁরা সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন শুরু করবেন। আওয়ামী লীগের নেতারাও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে পেছনে থাকছেন না। তাঁরা বলছেন, বিএনপি আবারও অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে প্রশাসন তা মোকাবেলা করবে। দলীয় নেতাকর্মীদেরও এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে বলা হচ্ছে। অর্থাৎ কেউ কাউকে ছাড় দেবে না, এমন মনোভাবই প্রকাশ পাচ্ছে।

রাজনীতিবিদরাই বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতির লক্ষ্যই হচ্ছে জনকল্যাণ। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে। যেকোনো প্রকারে ক্ষমতা দখলই যেন আমাদের রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। উভয় দলে যেসব বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে, তা কি আলোচনার মাধ্যমে কমিয়ে আনা যেত না? সে ক্ষেত্রে উভয় পক্ষকেই কিছু ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। কিন্তু সেই মানসিকতা কোথায়? আর সেই মানসিকতা না থাকলে গণতান্ত্রিক রাজনীতি এগোবে কী করে? প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, ব্রিটিশ গবেষণা সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইআই) সর্বশেষ জরিপে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ৮ ধাপ পিছিয়েছে।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে—এ নিয়ে আমরা গর্ব করি। কিন্তু কেবল অর্থনৈতিক অগ্রগতি কোনো দেশের জন্য কাম্য অগ্রগতি নয়। গণতন্ত্র, সুশাসনসহ আরো অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে তা উপলব্ধি করতে হবে। আমরা আশা করি, আমাদের রাজনীতিবিদরা দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে জাতিকে একটি অংশগ্রহণমূলক ও অর্থবহ নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবেন।

নির্বাচনের বছর এলে সাধারণ মানুষের দুশ্চিন্তা অনেক বেড়ে যায়। দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হরতাল-অবরোধ, জ্বালাও-পোড়াও—কখন কোথায় কী শুরু হয়ে যায়, তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়ে যায়। এ বছর এখনো পরিস্থিতি ততটা খারাপের দিকে যায়নি। কিন্তু দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতাদের পাল্টাপাল্টি হুমকি-ধমকিতে মানুষ বড় অস্থির বোধ করছে। অস্থির বোধ করার কিছু কারণও রয়েছে। এরই মধ্যে এক দফা পুলিশের ওপর হামলা এবং প্রিজন ভ্যানের তালা ভেঙে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এর পর থেকেই শুরু হয়েছে ব্যাপক ধরপাকড়। অন্যদিকে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে থাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাৎ মামলার রায় ঘোষিত হওয়ার কথা রয়েছে। রায়ে খালেদা জিয়ার শাস্তি হলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের কথাবার্তায় তেমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায়। ফলে দেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ থাকারই কথা।

সংবিধান অনুযায়ী এ বছরের শেষ দিকে অথবা আগামী বছরের জানুয়ারিতে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ এক বছরেরও কম সময় হাতে রয়েছে। এরই মধ্যে সারা দেশে নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ দলে লবিং শুরু করেছেন। অনেকে এলাকায় জনসংযোগও শুরু করে দিয়েছেন। আওয়ামী লীগ নেতারা বিভিন্ন সভা-সমিতিতে দলের পক্ষে ভোট চাইতে শুরু করেছেন। বিএনপি নেতারা এখন পর্যন্ত বলছেন, তাঁরা এই নির্বাচনে অংশ নেবেন। গত বুধবারও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে। তবে খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচন করব না।’ দলের কোনো কোনো নেতা এমনও বলেছেন, খালেদা জিয়ার শাস্তি হলে তাঁরা সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন শুরু করবেন। আওয়ামী লীগের নেতারাও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে পেছনে থাকছেন না। তাঁরা বলছেন, বিএনপি আবারও অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে প্রশাসন তা মোকাবেলা করবে। দলীয় নেতাকর্মীদেরও এ ব্যাপারে সজাগ থাকতে বলা হচ্ছে। অর্থাৎ কেউ কাউকে ছাড় দেবে না, এমন মনোভাবই প্রকাশ পাচ্ছে।

রাজনীতিবিদরাই বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতির লক্ষ্যই হচ্ছে জনকল্যাণ। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে। যেকোনো প্রকারে ক্ষমতা দখলই যেন আমাদের রাজনীতির প্রধান লক্ষ্য হয়ে উঠেছে। উভয় দলে যেসব বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে, তা কি আলোচনার মাধ্যমে কমিয়ে আনা যেত না? সে ক্ষেত্রে উভয় পক্ষকেই কিছু ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখতে হবে। কিন্তু সেই মানসিকতা কোথায়? আর সেই মানসিকতা না থাকলে গণতান্ত্রিক রাজনীতি এগোবে কী করে? প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, ব্রিটিশ গবেষণা সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইআই) সর্বশেষ জরিপে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ৮ ধাপ পিছিয়েছে।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে—এ নিয়ে আমরা গর্ব করি। কিন্তু কেবল অর্থনৈতিক অগ্রগতি কোনো দেশের জন্য কাম্য অগ্রগতি নয়। গণতন্ত্র, সুশাসনসহ আরো অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে তা উপলব্ধি করতে হবে। আমরা আশা করি, আমাদের রাজনীতিবিদরা দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রেখে জাতিকে একটি অংশগ্রহণমূলক ও অর্থবহ নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবেন।