banner

শেষ আপডেট ২০ নভেম্বর ২০১৭,  ২০:৩৯  ||   সোমবার, ২০ই নভেম্বর ২০১৭ ইং, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪

শিশুর জন্য সুখী শৈশব নিশ্চিৎ করবেন যেভাবে :: দি ক্রাইম :: অপরাধ দমনে সহায়ক ::

শিশুর জন্য সুখী শৈশব নিশ্চিৎ করবেন যেভাবে

৫ নভেম্বর ২০১৬ | ১৩:৩৫ |    নিজস্ব প্রতিবেদক
  • শিশুর জন্য সুখী শৈশব নিশ্চিৎ করবেন যেভাবে
আফসানা সুমী :  প্রতিটি বাবা মা চান তাদের সন্তানের সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ। কিন্তু আগামীর সময়কে সুন্দর করতে বর্তমানকে সুন্দর এবং সুরক্ষিত করা খুবই জরুরি। শিশুর সাজানো শৈশবই তাকে একজন প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করে।
 হাসি-খুশী উচ্ছল একটি শৈশব শিশুর জন্য তার অভিভাবকের দেওয়া সবচেয়ে মূল্যবান উপহার। কারণ এসময়ই তার মাইন্ডসেট তৈরি হয়। তৈরি হয় দৃষ্টিভঙ্গী। ঠিক হয়ে যায় সারাজীবন সে পৃথিবীকে কীভাবে দেখবে, জীবনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গী কী হবে, ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক!
 বিভিন্ন রকম প্যারেন্টিং কৌশল রয়েছে যা অবলম্বন করলে আপনি সহজেই আপনার শিশুকে সুখী এবং স্বাস্থ্যকর শৈশব দিতে পারবেন। অনেক দেশ আছে যারা সুখী দেশের তালিকায় রয়েছেন প্রথম সারিতে। ডেনমার্কসহ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো কীভাবে করে এই সুখের চাষাবাদ, আসুন জেনে নিই-
 খেলাধূলা করুন
শিশুর সাথে সময় কাটান। কিন্তু নিজের মত করে নয়। তাদের মত করে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে ছোটবেলা থেকেই শিশুদের অভ্যস্ত করা হয় জীবনমুখী খেলাধূলায়। তারা খেলতে খেলতেই শিখে যায় অনেক কিছু। এতে অতিরিক্ত কল্পনাপ্রবণতা, বঞ্চনাবোধ এসব কিছুই তৈরি হয় না এবং শিশুর বিকাশ হয় সঠিক দিকে। আপনার শিশুকেও খেলায় খেলায় শেখান।
 মজার গল্প বলুন
আপনি যদি একটি শিশুকে ভুতের গল্প বলেন তাহলে তার মনে স্বাভাবিকভাবেই জেঁকে বসবে ভুতের ভয়। আপনি যদি হাসিখুশী মজার গল্প বলেন তাহলে শিশুর চোখে পৃথিবী হবে সুখময় একটি জায়গা। শৈশবে পৃথিবী সম্পর্কে সুখী ধারণা হওয়া খুবই জরুরি। যতরকম ভয় তার মন থেকে দূরে রাখুন। গল্প বলার সময় সচেতনভাবেই কৌতুক বলুন। আপনার মজার কোন অভিজ্ঞতা বলুন।
 দল বেঁধে কাজ করতে উৎসাহ দিন
শিশু যত বেশী সবার সাথে মিশবে তত তার মাঝে দলবদ্ধ হয়ে কাজ করার মানসিকতা তৈরি হবে। একসাথে হয়ত সে খুব ছোট একটি কাজ করবে। সবাই মিলে বাগানের এক কোণা পরিষ্কার করা বা একসাথে মজার কোন খেলা। কিন্তু এই একসাথে থাকাই তার মাঝে দৃঢ়তা তৈরি করবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি করবে। শিশু হবে আত্মবিশ্বাসী। তাই যতটা সম্ভব তাকে অন্য শিশুদের সাথে মিশতে দিন।
 অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা থেকে দূরে রাখুন
মনে রাখবেন, শৈশব একটি স্বাধীন সময়। এই সময় প্রতিযোগিতায় জয়ী হওয়া জরুরি নয়। কাদামাটির মত নরম শিশুর মন। ছোট ছোট মানসিক চাপ আপনার জন্য ছোট হলেও তার জন্য বিশাল। তাকে তার মত যা করার করতে দিন। জোর করে খেলতে বলা, প্রথম হতে বলা, না হলে রাগ করা, চাপ প্রয়োগ করা এই সবই শিশুর জন্য খুবই ক্ষতিকর।
 শৈশব হোক হাসিখুশী আনন্দে ভরপুর। শিশুর বেড়ে ওঠা হোক সম্পূর্ণ অবাধ, সাবলিল, ভালবাসায় পূর্ণ। একটু সচেতন হলেই আপনার শিশু বেড়ে উঠবে সুখী মানুষ হিসেবে। তাই, সচেতন হোন।

 

 

Leave a Reply